ফ্রীলাঞ্চিং কি ও ফ্রীলাঞ্চিং নিয়ে সাধারণ কিছু আলোচনা


বিশ্বের কয়েকটি ভালো ফ্রীলাঞ্চিং সাইটের মধ্যে ওডেস্ক বাংলাদেশিদের জন্য সব থেকে জনপ্রিয় সাইট। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১২ সালে বাংলাদেশ ছিল ফ্রীলাঞ্চিং-এ তৃতীয় স্থানে। যেখানে ১৬০ টির বেশি দেশের ফ্রীলাঞ্চাররা কাজ করে। তাদের দেওয়া তথ্য মোতাবেক ২০১২ সালে বাংলাদেশী ফ্রীলাঞ্চাররা ৭২০,০০০ ঘণ্টা কাজ করেছেন, শুধু তাদের ঘণ্টা বেসিস, ফিক্সডে কাজ করেছে ওর থেকেও দ্বিগুণ পরিমাণ ঘণ্টা।
অন্য আরেকটি জনপ্রিয় ফ্রীলাঞ্চিং সাইট ইল্যান্স জানিয়েছে ২০১২ সাল পর্যন্ত ইল্যান্স থেকে বাংলাদেশিদের সর্বমোট আয়ের পরিমান ছিলো প্রায় ৩৪ কোটি টাকা (৪২ লাখ ডলার) সেখানে শুধুমাত্র ২০১৩ সালে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা প্রায় ২৭ কোটি টাকা (৩৪ লাখ ডলার) আয় করেছে।
ফ্রীলাঞ্চিং কি?
ফ্রীলাঞ্চিং এবং আউটসোর্সিং শব্দ দুইটি খুব কাছাকাছি অর্থবহন করলেও এদের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে।
আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠান যদি অন্য কোন প্রতিষ্ঠানকে কোন একটি বিশেষ প্রোজেক্টের জন্য অন্য প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া করে তাহলে তাকে আউটসোর্সিং বলা হয়ে থাকে। যেমন ইউনিলিভার বাংলাদেশ তাদের অর্থনৈতিক সকল কার্যক্রমের জন্য সিটি ব্যাংক এন এ কে ভাড়া করে।
ফ্রীলাঞ্চিং হচ্ছে এককভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের কোন বিশেষ প্রোজেক্টের জন্য কাজ করা। ওডেস্ক ফ্রীলাঞ্চারদের কন্ট্রাক্টর বলে, আমাদের স্বাভাবিক কন্ট্রাক্টরদের মতই কাজ বলে। ফ্রীলাঞ্চাররা উন্নত বিশ্বের ছোট-বড় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রোজেক্টে কাজ করে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। উন্নত বিশ্বের সমমান অর্থ/বেতন পাওয়া যায় বলে এখানে থেকে উপার্জনও করা যায় অনেক। ঘরে বসেই বিদেশে গিয়ে কাজ করার সমমান অর্থ উপার্জন করা যায় বলে, যুব সমাজ এখন বিদেশে যাওয়ার থেকে ঘরে বসে ফ্রীলাঞ্চিং করাকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। ফ্রীলাঞ্চিং করতে কোন মূলধনের প্রয়োজন হয়না বলে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশে বিদেশি অর্থও আসছে প্রচুর যে কারনে সরকারও উদ্যোগ নিয়েছে বিনা খরচে প্রশিক্ষণ দেওয়ার। কারন এটিও হবে বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরের মত লাভজনক সেক্টর।
Post a Comment